About

কলেজের অতীত হতে বর্তমান
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাউল সম্রাট লালন শাহ, মীর মশাররফ হোসেন, কাজী মোতাহার হোসেন, কাঙাল হরিনাথ মজুমদার, বাঘা যতীন, জগদীশ চন্দ্র গুপ্ত, কবি আজিজুর রহমান প্রমুখ প্রতিভাধর ব্যক্তিত্বের সম্মিলনে কুষ্টিয়া হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী। বাংলাদেশের অন্যতম প্রসিদ্ধ স্থান কুষ্টিয়া দেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী। ঐতিহাসিক হার্ডিজ্ঞ ব্রীজ, ঝাউদিয়া শাহী মসজিদ, রবীন্দ্র কুঠিবাড়ী, লালনের আখড়া, টেগর লজ প্রভৃতি মনোরম স্থাপনা কুষ্টিয়াতে অবস্থিত। বর্তমানে দেশের অন্যতম বিসিক শিল্পনগরী কুষ্টিয়া। পদ্মা-গড়াই বিধৌত কুষ্টিয়া জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। এটি ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত। প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে অদ্যাবধি কলেজটির সুনাম যানপরানাই ঈর্ষান্বিত। বরেণ্য অনেক ব্যক্তিত্ব এ কলেজের আঙ্গিনাকে করেছে প্রাণবন্ত। কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ৩০টি কলেজের মধ্যে অন্যতম। বৃহত্তর কুষ্টিয়া এবং এর আশেপাশের অঞ্চলের মানুষের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অপরিসীম। ভাষা আন্দোলন হতে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে এ কলেজের ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারীদের গৌরবময় ভূমিকা রয়েছে। বর্তমান কলেজে মোট ১৯টি বিভাগ (বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, দশর্ন, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ইসলামী শিক্ষা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, প্রাণিবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, গণিত, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, ভূগোল ও পরিবেশ, পরিসংখ্যান ও ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি চালু আছে। এর মধ্যে ১৭টি বিভাগে অনার্স কোর্স এবং ১১টি বিভাগে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে। এছাড়া উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ এবং ডিগ্রী পাস কোর্স শাখায় বিজ্ঞান, মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ চালু আছে।